বগুড়া নন্দীগ্রামের কাথম চাকলমা-মৌজায় খালপাড়ের প্রায় ৮০.২৭ হেক্টর জমি সেচ অভাবে ফেটে চৌতির। আবাদি ফসল (ধান) নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (Upazila Agriculture Office)
-
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (UAO)
-
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) হস্তক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি ভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণে করে দ্রুত সেচের ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করছি। নয়তো এভাবে চলতে থাকলে, আমাদের না খেয়ে মরতে হবে এবং চাকলমা গ্রামের অনেক কৃষক নিঃস্ব হয়ে যাবে। এসব কথা চাকলমা গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ রাঙ্গা প্রামানিক পিতা আবুল হোসেন মেম্বার বলেন।
কৃষিনির্ভর সমাজে একটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গুরুতর চিত্র, প্রখর খরায় সেচের অভাবে ফসল নষ্ট হওয়া এবং গভীর নলকূপ মালিকের অবহেলা।
তীব্র খরায় যখন কৃষকের বুকফাটা কান্না আর ফসলের মাঠ চৌচির হয়ে যায়, তখন পানির ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা গভীর নলকূপ পরিচালকদের প্রধান দায়িত্ব। কিন্তু ব্যক্তিগত অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কৃষকদের জিম্মি করে রেখেছ কাথম গ্রামের সেচপাম মালিক, বারবার কৃষকদের সেচ দেবার আশ্বাস দিয়েও এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কৃষকের জমিতে সময়মতো পানি দিচ্ছে না, যার ফলে মাঠের পর মাঠ ফসল পুড়ে বা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে জানান চাকলমা গ্রামের কৃষক।
নলকূপটি সচল থাকা সত্ত্বেও পানি দেওয়া হচ্ছে না
কৃষকের ঘামে ভেজা ফসল এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি ধ্বংসের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুষ্ক মৌসুমের কৃষকের জন্য পানি জমিয়ে রাখতে স্থানীয় খাল, পুনঃখনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে, সেখানে কোন এক অসাধু মাছ শিকারি কালভার্ট এর নিচের বাধ প্রায় তিন ফুট কেটে দিয়েছে, যার ফলে খালে পানি জমে থাকছে না। খালে পানি থাকলে কৃষকেরা স্যালো মেশিন দ্বারা জমিতে সেচ দিতে পারতো। বাধ কাটা থাকার কারণে সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। তাই অতি দ্রুত বাধটি সংস্কার প্রয়োজন।
